শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** একের পর এক রেকর্ড ভাঙছেন ‘টক্সিক’ যশ – বক্স অফিসে দানবীয় প্রত্যাবর্তনের সংকেত! *** ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা : জীবন, রাজনীতি ও সাম্প্রতিক আলোচিত ঘটনাপ্রবাহ *** আ ন ম এহসানুল হক মিলন: জীবন, রাজনীতি ও কৃতিত্ব *** হানিয়া আমিরের বিয়ে কি হবে? *** মুখে গোলাপ নিয়ে নাচ! ক্যাটরিনার রাগ ভাঙাতে সালমানের সেই ‘পাগলামি’ আজও ভাইরাল *** বরফ গলে নদীতে মিশছে ব্যাকটেরিয়া, বিজ্ঞানীদের সতর্কবাণী *** শীতের আমেজে একদিনেই ঘুরে আসুন রামগড় চা বাগান *** একাধিক প্রেম করা কোনো অন্যায় নয়: স্বস্তিকা *** কাছের বন্ধুরাও নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে ছবি মুছে ফেলেন কেন? *** বিবাহবার্ষিকীর খবরকে ‘ভুয়া’ বললেন অভিনেতা তাহসান খান

বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০২:১৩ অপরাহ্ন, ১৯শে নভেম্বর ২০২৪ | ১৯শে নভেম্বর ২০২৪
বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত

মিরপুর বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী নূরুল আমিন তপুকে অপহরণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. আরিফুল ইসলাম, মো. ইমরান হোসেন ও মো. ইয়ামিন মোল্যা।

মঙ্গলবার (১৯শে নভেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মাসুদ করিম এ রায় ঘোষণা করেন। এদিন কারাগারে আটক থাকা আসামি আরিফুল ও ইমরানকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে পলাতক থাকায় অপর আসামি ইয়ামিন উপস্থিত ছিলেন না। রায় ঘোষণা শেষে আদালত সাজা পরোয়ানা দিয়ে দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এছাড়া পলাতক আসামি ইয়ামিনের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

আরও পড়ুন: হাত হারানো শিশু নাঈমকে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের রায় বহাল

তপু নিখোঁজের পর ২০২২ সালের ২রা জানুয়ারি তার চাচা দারুসসালাম থানায় একটি জিডি করেন। জিডির পর অপহরণকারীরা ভিকটিমের মুক্তির জন্য তার চাচার কাছে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এরপর তিনি দারুসসালাম থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের জোনাল টিম। ঘটনার দুদিন পর এই তিন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। 

জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, মিরপুর বেড়িবাঁধের জহুরাবাদ এলাকায় ইমরানের ভাড়া বাসায় তপুকে ডেকে এনে সুকৌশলে অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপণ না পেয়ে ইমরানের বাসাতেই তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর ভিকটিমের মরদেহ বস্তাবন্দি করে জহুরাবাদের বেড়িবাঁধে ফেলে দেন। আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

এসি/

শেয়ার করুন: