রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনায় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন: রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে এই পদের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে যার নাম শোনা যাচ্ছে, তিনি হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
১. আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কেন?
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর থেকেই বঙ্গভবনের পরবর্তী অধিবাসী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী:
দলটির হাইকমান্ডের একটি বড় অংশ ড. মোশাররফকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে আগ্রহী।
তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা তাকে এই পদের দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে।
২. ড. মোশাররফের বর্তমান অবস্থান
তিনি কুমিল্লা-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তাকে সংসদের চেয়ে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে 'রাষ্ট্রপতি' পদে নিয়োগ দিয়ে বিএনপি একটি ভারসাম্যপূর্ণ ক্ষমতার কাঠামো তৈরি করতে চায়।
৩. রাষ্ট্রপতির প্যানেলে আরও যারা রয়েছেন
যদিও ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সবার আগে আলোচনায় আসছে, তবুও তালিকায় আরও কিছু নাম আলোচিত হচ্ছে:
বিএনপির আরও কয়েকজন প্রবীণ নীতিনির্ধারক।
সুশীল সমাজের গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যক্তিত্ব। তবে দলের ভেতরে ড. মোশাররফের প্রতি সমর্থন সবচেয়ে বেশি বলে জানা গেছে।
৪. কেন তাকেই বেছে নেওয়া হতে পারে?
রাজনৈতিক ভারসাম্য: তিনি একজন মৃদুভাষী এবং অভিজ্ঞ নেতা, যিনি রাষ্ট্রের কঠিন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।
সংবিধান রক্ষা: সংস্কার পরবর্তী সময়ে সংবিধানের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার মতো একজন বিজ্ঞ রাজনীতিবিদের প্রয়োজন অনুভব করছে বিজয়ী দল।
শারীরিক অবস্থা: সুস্থ হয়ে রাজনীতিতে ফেরার পর তার এই মনোনয়নকে তাকে উপযুক্ত সম্মান দেওয়ার একটি মাধ্যম হিসেবেও দেখা হচ্ছে।