শুক্রবার, ৬ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** একের পর এক রেকর্ড ভাঙছেন ‘টক্সিক’ যশ – বক্স অফিসে দানবীয় প্রত্যাবর্তনের সংকেত! *** ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা : জীবন, রাজনীতি ও সাম্প্রতিক আলোচিত ঘটনাপ্রবাহ *** আ ন ম এহসানুল হক মিলন: জীবন, রাজনীতি ও কৃতিত্ব *** হানিয়া আমিরের বিয়ে কি হবে? *** মুখে গোলাপ নিয়ে নাচ! ক্যাটরিনার রাগ ভাঙাতে সালমানের সেই ‘পাগলামি’ আজও ভাইরাল *** বরফ গলে নদীতে মিশছে ব্যাকটেরিয়া, বিজ্ঞানীদের সতর্কবাণী *** শীতের আমেজে একদিনেই ঘুরে আসুন রামগড় চা বাগান *** একাধিক প্রেম করা কোনো অন্যায় নয়: স্বস্তিকা *** কাছের বন্ধুরাও নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে ছবি মুছে ফেলেন কেন? *** বিবাহবার্ষিকীর খবরকে ‘ভুয়া’ বললেন অভিনেতা তাহসান খান

দ্বিমুখী সহকর্মী চিনবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ০১:৫৩ অপরাহ্ন, ১৮ই নভেম্বর ২০২৩ | ১৮ই নভেম্বর ২০২৩
দ্বিমুখী সহকর্মী চিনবেন যেভাবে
দ্বিমুখী সহকর্মী চিনবেন যেভাবে
ছবি: সংগৃহীত

দিনের বেশিরভাগ সময় আমাদের অফিসে কাটাতে হয়। সেখানে নানা ধরনের মানুষ থাকে। তাদের স্বভাব, আচরণ এবং মনোভাব বৈচিত্র্যময়। কেউ কেউ পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে যায়, কেউ হয়তো অফিসের কাজে আপনাকে সাহায্য করে এবং গাইড করে। আবার কেউ এত ভালো নাও হতে পারে।

এমন সহকর্মীও থাকতে পারে যে আপনার বন্ধু হওয়ার ভান করে, কিন্তু আপনাকে নিচে নামানোর বা দমন করার সুযোগ পেলে তা ছাড়ে না। এই দ্বিমুখী স্বভাবের সহকর্মীদের থেকে আপনার দূরে এবং নিরাপদ থাকা উচিত। এই ধরনের সহকর্মীরা সব সময় আপনার দুর্বলতা খুঁজে বেড়ায় এবং আপনাকে বিপদে ফেলার জন্য সুযোগ খোঁজে। চলুন জেনে নেওয়া যাক দ্বিমুখী সহকর্মী চেনার উপায়-

তার আচরণ খেয়াল করুন

দ্বিমুখী স্বভাবের সহকর্মীর সবচেয়ে বড় চিহ্ন হলো তার আচরণ। এর মধ্যে একটি হলো অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ। দেখা গেল সে অন্যদের সঙ্গে খুব হইহই করছে, কিন্তু আপনার সামনে এসে কোনো কারণ ছাড়াই একেবারে চুপচাপ। তাই এ ধরনের মানুষ অন্যদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলে সেদিকে খেয়াল করুন। যদি সে অফিসের কর্তাদের সঙ্গে খুব গদগদ হয়ে কথা বলে কিন্তু অধীনস্তদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে তাহলে তার থেকে দূরে থাকুন। একজন ভালো মানুষ কখনো দুই রকমের আচরণ করে না, তার আচরণ ও কথাবার্তা সব সময় সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

আরো পড়ুন : শুরু হচ্ছে শীত, যেভাবে থাকবেন ফিট

তার নৈতিকতার দিকে মনোযোগ দিন

দ্বিমুখী স্বভাবের সহকর্মীদের একটা বিষয় খেয়াল করবেন, তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেদের পরিবর্তন করতে দারুণ পটু। এরকম স্বভাবের মানুষরা সবকিছু এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যেন তা তাদের নিজস্ব স্বার্থ অনুযায়ী চলে। তাই তাদের নৈতিকতার দিকে খেয়াল করুন। যদি তারা নিজের স্বার্থের জন্য অনৈতিকভাবে অন্যের কষ্টের কারণ হয়, তবে তাকে এড়িয়ে চলাই উত্তম। এ ধরনের মানুষরা মূলত কারও আপনজন হতে পারেন না। অফিসের কাজের প্রতি অমনোযোগ এবং বসকে দেখলে কাজ করার ভান করার স্বভাব তাদের থাকতে পারে। এদিকটায়ও খেয়াল করুন।

সহজেই অন্যের ক্ষতি করে

যারা অফিসে অপেশাদার আচরণ করে এবং সুযোগ পেলেই অন্যের ক্ষতি করে তাদের দিকে নজর রাখাও বুদ্ধিমানের কাজ। আপনি যদি কাউকে অসম্মান করার জন্য মিথ্যা তথ্য ছড়াতে দেখেন বা খারাপভাবে উপস্থাপন করতে দেখেন, যদি সে যে কাজ করেনি তার জন্য কৃতিত্ব নেয়, তবে তার থেকে দূরে থাকুন। কারণ দ্বিমুখী মানুষেরই এমন স্বভাব থাকে। এ ধরনের মানুষরা পুরো টিমের বদনামের কারণ হতে পারে।

সবার সঙ্গে কথা বলুন

আপনি যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে নতুন হন, তাহলে কে আপনার জন্য ভালো এবং কে নয় তা বুঝতে পারা আপনার পক্ষে কঠিন হতে পারে। এই সময়ে সবার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মিশুন। এই সময়টাতে আপনি খুব নিখুঁতভাবে সবাইকে বোঝার চেষ্টা করুন। কারও সঙ্গেই কোনো ঝামেলায় যাবেন না। কয়েকদিন যাওয়ার পর এমনিতেই আপনি বুঝতে পারবেন কার স্বভাব কেমন। তখন কার সঙ্গে মিশবেন এবং কাকে এড়িয়ে যাবেন তা বোঝা সহজ হয়ে যাবে। 

নিজেকে বিশ্বাস করুন

অফিসে নতুন হলে মানিয়ে নিতে সময় লাগবে। যদি কেউ সত্যিই এমন থাকে যে সামনে আপনার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে আর পেছনে আপনার পিঠে ছুরি বসাতে চায়, তবে শুরুতেই তাকে চিনতে পারা কষ্টকর হবে। তাই নিজের ওপর থেকে কখনো বিশ্বাস হারাবেন না। আপনি যা করছেন তাতে অন্যায় কিছু নেই, নিজের প্রতি এটুকু বিশ্বাস থাকলেই হবে। যদি কেউ অনবরত কারও বদনাম আপনার কাছে করতে থাকে, তবে এমন হতে পারে যে সে আপনার বদনামও অন্যদের কাছে করবে। তাই নিজের নৈতিকতায় অটল থাকুন। জীবন থেকে নেতিবাচক সবকিছু দূরে রাখুন।

এস/ আই. কে. জে/


শেয়ার করুন: