শুক্রবার, ৬ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** একের পর এক রেকর্ড ভাঙছেন ‘টক্সিক’ যশ – বক্স অফিসে দানবীয় প্রত্যাবর্তনের সংকেত! *** ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা : জীবন, রাজনীতি ও সাম্প্রতিক আলোচিত ঘটনাপ্রবাহ *** আ ন ম এহসানুল হক মিলন: জীবন, রাজনীতি ও কৃতিত্ব *** হানিয়া আমিরের বিয়ে কি হবে? *** মুখে গোলাপ নিয়ে নাচ! ক্যাটরিনার রাগ ভাঙাতে সালমানের সেই ‘পাগলামি’ আজও ভাইরাল *** বরফ গলে নদীতে মিশছে ব্যাকটেরিয়া, বিজ্ঞানীদের সতর্কবাণী *** শীতের আমেজে একদিনেই ঘুরে আসুন রামগড় চা বাগান *** একাধিক প্রেম করা কোনো অন্যায় নয়: স্বস্তিকা *** কাছের বন্ধুরাও নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে ছবি মুছে ফেলেন কেন? *** বিবাহবার্ষিকীর খবরকে ‘ভুয়া’ বললেন অভিনেতা তাহসান খান

যে সব খাবার খেলে বন্ধ হবে নাক ডাকা

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ০২:৩০ অপরাহ্ন, ১৮ই নভেম্বর ২০২৩ | ১৮ই নভেম্বর ২০২৩
যে সব খাবার খেলে বন্ধ হবে নাক ডাকা
যে সব খাবার খেলে বন্ধ হবে নাক ডাকা
ছবি: সংগৃহীত

ঘুমানোর সময় নাক ডাকার সমস্যা থাকে অনেকেরই। এতে করে আপনার আপনজন কিংবা সঙ্গী বিরক্ত হতে পারে। হওয়াটাই স্বাভাবিক। ঘুম ভালো না হলে কারোই ভালো লাগে না। তবে এ সমস্যা দূর করা যায় খাদ্যাভাসের পরিবর্তনে। চলুন জেনে নিই যে খাবার খেলে বন্ধ হবে নাক ডাকা—

দুধ

আমদের অনেকের ল্যাকটোস সেনসিটিভিটি থাকে। এটা আমাদের অনেকের অজান্তেই থাকে। গরুর দুধে এই ল্যাকটোস সেনসিটিভিটি অনেক বেশি পরিমাণে হয় এবং তার থেকে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হয়, এর ফলে ন্যাসাল প্যাসেজ স্ফীত হয়ে উঠতে পারে। এর থেকেই নাক ডাকতে পারে। এছাড়াও গরুর দুধে প্রচুর পরিমাণে মিউকাস থাকায় তা রেসপিরিটরি সিস্টেমের জন্যও ভালো নয়। সোয়া মিল্কে এসব সমস্যা নেই।

চা

চা পান করলে কনজেশন এবং শ্লেষ্মা কমে। তার ফলে নাক ডাকা কমে। চা খাবার সময় যে বাষ্প নির্গত হয় তা ন্যাসাল প্যাসেজকে প্রশমিত করে। এটি মিউকাসকে তরল করে। এর ফলে নাক ডাকার সমস্যার উপশম হয়।

মধু 

মধু আপনার কণ্ঠনালিকে মসৃণ করে। মধুর মধ্যে অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি দুই ধরনের গুণই আছে। যা স্বরনালিকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। রাতে ঘুমের আগে চায়ের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে জিভের তৃপ্তির পাশাপাশি নাক ডাকাও কমবে।

আরো পড়ুন : অতিরিক্ত রাত জাগা থেকে বিরত থাকুন

হলুদ

অনেক সময়ই নাক ডাকার কারণ হলো ইনফ্ল্যামেশন। এর ফলে আমদের কন্ঠনালি বা নাকে যথেষ্ট পরিমাণে হাওয়া চলাচলের জায়গা থাকে না। হলুদ অত্যন্ত ক্ষমতশালী অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি খাবার। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট কারকুমিন যা ইনফ্ল্যামেশন কমাতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখবেন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে হলুদ খেলে খুব একটা কাজে লাগে না। যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

রেড মিট

মাছ খাওয়ার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ রেড মিট কম খাওয়া। রেড মিটের স্যাটুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা গলার টিস্যু আর সাইনাসকে স্ফীত করে তোলে। অন্যদিকে মাছ খেলে (বিশেষ করে তৈলাক্ত মাছ) তার থেকে যে ফ্যাটি অ্যাসিড নির্গত হয়, তা ইনফ্লেমেশন কমাতে সাহায্য করে।

পেঁয়াজ  

এটাকে নাক ডাকার সমস্যার অব্যর্থ ওষুধ মানেন অনেকেই। পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি পদার্থ  থাকে, যা ন্যাসাল প্যাসেজকে পরিষ্কার রেখে বেশি পরিমাণে হাওয়া চলাচলে সাহায্য করে।

এস/ আই. কে. জে/

শেয়ার করুন: