হামাসের হাতে আটক ৪৮ জিম্মির সর্বশেষ অবস্থা
দুই বছর যুদ্ধের পর অবশেষে ফি/লি/স্তি/নের গাজায় কার্যকর হয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি। এই চুক্তির আওতায় হামাসের হাতে থাকা ৪৮ জন ইসরায়েলি ও বিদেশি বন্দীকে মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে। খবর বিবিসির।
ধারণা করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে ২০ জন এখনো জীবিত আছেন। আগামীকাল সোমবার (১৩ই অক্টোবর) পর্যন্ত জারি থাকা ৭২ ঘণ্টার সময়সীমার মধ্যে হামাসের হাতে আটক ইস/রা/য়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর ইস/রায়ে/লের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের আক্রমণে ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে অপহরণ করা হয়। তাদের মধ্যে ৪৮ জন এখনো হামাসের হাতে বন্দী।
৭ই অক্টোবরের ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। গাজার হামাসনিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এতে এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইতিমধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতির এক দিন পার হয়েছে। গত শুক্রবার (১০ই অক্টোবর) দুপুরে উপত্যকাটিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর উদ্বাস্তু লাখো ফিলিস্তিনি তাদের বিধ্বস্ত বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেন। ইসরায়েলি হামলা বন্ধ হওয়ায় বাড়ির ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও শুক্রবার রাতটি অনেকটা নির্ভয়ে কাটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অনেক ফিলিস্তিনি।
গাজায় সংঘাত বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০ দফা ‘শান্তি পরিকল্পনা’ ঘোষণা করেন। ইসরায়েল ও গাজার স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এই পরিকল্পনায় রাজি হলে স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
দুই বছরে গাজায় প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা দখল করে নেয় ইসরায়েল। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রথম দফায় সেনা সরানোর পর গাজার ৫৩ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। গতকাল ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রথম ধাপের সেনা সরানোর কাজটি শেষ করেছে তারা। তবে এ বিষয়ে হামাসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এমনকি তারা গত বছর রমাদান মাসেও হামলা চালিয়ে গাজাকে মৃত্যুপুরীতে অবস্থা করেছিল